Home / স্বাস্থ্য টিপস / এইডস প্রতিরোধযোগ্য রোগ

এইডস প্রতিরোধযোগ্য রোগ

সভ্যযুগের মানুষের অসহনীয় দুর্দশার নাম এইডস(AIDS), যে রোগে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। ক্রমে রোগাক্রান্ত হয়ে মারা যায় মানুষ। এইডস প্রতিরোধযোগ্য রোগ। কেউ আক্রান্ত হলে অ্যান্টিরেট্রেভাইরাল ওষুধের মাধ্যমে রোগীর চিকিৎসার সীমিত সুযোগ থাকলেও রোগাক্রান্তের এ ক্ষেত্রে ভোগান্তির সীমা থাকে না। তাই আসুন, এখনই ঐক্যের হাত তুলে ধরি, এইচআইভি প্রতিরোধ করি।এইডস

এইডস প্রতিরোধযোগ্য রোগ

বর্তমানে বাংলাদেশে এইচআইভিতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ৫০০। বাংলাদেশে ১৯৮৯ সালে প্রথম AIDS রোগী শনাক্ত করা হয়। ২০১৫ সালে ৩৪৪ পুরুষ, ১১৭ নারী এবং ২ জন তৃতীয় লিঙ্গসহ মোট ৪৬৯ জন এইচআইভিতে সংক্রমিত হয়।

ব্যক্তি পর্যায়ে এইডস শনাক্তকরণ আর প্রতিরোধের বাইরে সামাজিকভাবে রোগটি প্রতিরোধে সবার দায়িত্ব অপরিসীম। হাসপাতালে কোনো AIDS রোগী ভর্তি হলে এবং তার অপারেশনের প্রয়োজন হলে সে ক্ষেত্রে অবশ্যই সপ্তাহের শেষ দিনটি বেছে নিতে হবে। নতুবা রোগ সংক্রমণের ঝুঁকিতে হাসপাতালের কর্মীসহ রোগীরাও পড়ে যাবেন।

শিশুর মায়ের এইডস থাকলে বুকের দুধের মাধ্যমে শিশুর মধ্যে AIDS ছড়িয়ে পড়তে পারে। কিন্তু শিশুর জীবনের কথা চিন্তা করে বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বে মায়েদের বুকের দুধ পানের সপক্ষে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মতামত দিয়েছে। কারো এইডস হলে তা বাতাসের মাধ্যমে বা ধরাছোঁয়ার মাধ্যমে সংক্রমিত হওয়ার সুযোগ নেই। এ জন্য এইডস আক্রান্ত রোগীকে একঘরে করে রাখা বা তার সঙ্গে মেলামেশা বন্ধ করা এসব কিছু ভ্রান্ত ধারণা।

যক্ষ্মা ও অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশু অথবা বৃদ্ধরা এইডসের ঝুঁকির মধ্যে থাকেন। এ জন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের উচিত, সামান্যতম সন্দেহ হলে রোগাক্রান্তদের AIDS শনাক্তকরণের পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া।

সুস্থ থাকুন, নিজেকে এবং পরিবারকে ভালোবাসুন। আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান। আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন। পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

Check Also

ইফতারের খাবার

ইফতারের খাবার বাছাইয়ে সচেতন থাকুন

বিরিয়ানি(Biryani), তেহারি, হালিম কিংবা কাবাব আমরা প্রায় সময় খেয়ে থাকি। কিন্তু গরমের সময় এ সব ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *