Home / লাইফস্টাইল / গরমে বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায়

গরমে বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায়

জীবনযাত্রায় ব্যয় যে হারে বাড়ছে তাতে নিম্নবিত্ত পরিবারের দুশ্চিন্তার রেখা এখন প্রভাব ফেলেছে মধ্যবিত্ত (Middle class) পরিবারগুলোতেও। এ অবস্থায় কীভাবে ব্যয় কমিয়ে আনতে পারবেন তাতে নিশ্চয়ই দিশেহারা হয়ে পড়ছেন অনেকে। এমন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে ব্যয় কমাতে শুরু করতে পারেন বিদ্যুৎ বিল (Electricity bill) থেকে।বিদ্যুৎ বিল

গরমে বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায়

অন্যান্য খরচের খাতায় শুধু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকেই প্রাধান্য দিতে পারেন। প্রতি মাসে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে কিনতে পারেন প্রয়োজনীয় জিনিসগুলোকে। তবে গরমের এই সময়টাতে বিদ্যুৎ বিল (Electricity bill) যেন কিছুতেই কমিয়ে আনতে পারছেন না।

এমন পরিস্থিতিতে প্রতিটি ঘরেই অ্যানার্জি সেভিং (Energy saving) বাতি লাগান। এর চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হবে যদি ঘরে এলইডি লাইট লাগাতে পারেন। এই বাতিগুলো লোডশেডিংয়েও আপনার ঘর আলো করে রাখতে পারে।

এই বাতির ব্যবহারে তাই আলাদা করে চার্জার বাতি, টর্চ লাইট চার্জ দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। ফলে বিদ্যুৎ (Electricity) অনেকটাই সাশ্রয় করতে পারবেন।

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এমন ফ্যানগুলোকে ঘরে ব্যবহারের জন্য প্রাধান্য দিতে পারেন। এছাড়া একটানা ফ্যান চালিয়ে রাখলে ঘর স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি গরম হয়ে যায়। তাই টানা ৩ ঘণ্টা চালু থাকার পর ১ ঘণ্টা বিরতি দিয়ে ফ্যান (Fan) ব্যবহার করুন। ফ্যান বন্ধ অবস্থায় সেই ঘরে না থেকে অন্য ঘরে থাকুন। ঘরে জানালা থাকলে তা খুলে দিন।

আবহাওয়া ঠান্ডা থাকলে বা বৃষ্টির দিনগুলোতে ফ্যান (Fan) বন্ধ রাখতে পারেন। অপ্রয়োজনে খালি ঘরে ফ্যান বা লাইট বন্ধ করেও আপনি বিদ্যুৎ বিল কমাতে পারেন।

গরমে এসি ব্যবহারের পরিবর্তে এয়ার কুলার মেশিনকে প্রাধান্য দিলে আপনার বিদ্যুৎ বিল অনেকটাই কমে যাবে। আর আইপিএস (IPS) ব্যবহারের পরিবর্তে এলইডি লাইট আর চার্জার ফ্যানের ব্যবহারেও আপনার আরামে কোনো ঘাটতি না রেখেই আপনি বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে পারবেন।

প্রাচীন মিশরে গরম থেকে বাঁচতে ঘরে হালকা ভেজা পর্দা ব্যবহার করার প্রচলন ছিলো। এতে ঘরে শীতল আমেজ থাকে। কারণ বাইরের গরম হাওয়া ঘরে ঢোকার সময় এই পর্দা উত্তাপ অনেকটাই শুষে নেবে, যা ঘরকে শীতল (Cool) রাখবে।

ঘরে একাধিক ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্ট এক সঙ্গে চললে ঘর অনেকটাই গরম হয়ে যায়। তাই ঘরে কখনও একসঙ্গে এত প্রোডাক্ট চালু রাখবেন না। এছাড়া মাইক্রোওয়েভ আর ওয়াশিং মেশিন (Washing machine) খুব প্রয়োজন না হলে এর ব্যবহার বন্ধ রাখতে পারেন। ইলেকট্রনিক ব্লেন্ডারের পরিবর্তে প্রাধান্য দিতে পারেন হাতে ব্যবহৃত ব্লেন্ডার (Blender) আর জুসার মেশিনগুলোকেও।

সুস্থ থাকুন, নিজেকে এবং পরিবারকে ভালোবাসুন। আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান। আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন। পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

Check Also

দিনের বেলায় ঘুম

দিনের বেলায় ঘুম স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো নাকি খারাপ? জানুন বিস্তারিত

এমন অনেক মানুষ আছে যারা বিকেল বেলায় ঘুমানো ছাড়া থাকতেই পারেন না। এভাবে একটা সময় ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *